গতবছর থ্যাংক্সগিভিংএ পোর্টল্যান্ড, অরেগনে অন্তুদাদা আর রিংকু বৌদিদের বাড়ি খুব ভালো সময় কাটিয়েছিলাম -আমি,শুভজিৎ,বুগাই, মিশি আর মিস্টার এন্ড মিসেস ব্যানার্জী। থ্যাংক্সগিভিং ছিল ২৪শে নভেম্বর। পুপুর ও যাবার কথা ছিল কিন্তু পুপু কলকাতায় ছুটিতে গিয়ে আটকে গেছিলো,সময় মতো ফিরতে পারেনি।
ঠান্ডা ছিল ভালোই , সুযোগ পেলেই ফায়ারপ্লেসের কাছে ঘুরঘুর করতাম।
ব্যানার্জী দম্পতি দুজনেই অসম্ভব ভালো ভালো রান্না করে খাইয়েছিল আমাদের, রীতিমতো ট্রেডিশনাল থ্যাংক্সগিভিং ডিনার স্টাইলে। আমি টার্কি খাইনা তাই আমার হনরে হোল চিকেন রোস্ট, স্টাফ করা বেল পেপার ,হোল কাউলিফায়ার রোস্ট, ম্যাশ পটেটো, ক্র্যানবেরি চাটনি, ফ্রাইড আস্পারাগাস , প্রন সতে ,পিক্যান পাই , বাকলাভা , আইস ক্রিম ...আর কত কিছু, হাঁপিয়ে গেলাম ।
খেতে বসার আগে যথারীতি আমি ক্যাবলামো করেছিলাম। অত ভালো ভালো খাবার দেখে সবে একটা কিসে হাত দিতে যাবো অমনি অন্তুদা এনাউন্স করলো রাউন্ড দি টেবিল আমরা থাঙ্কস জানাবো। কাকে জানাবো এবং কিসের জন্য জানাবো সেটা বলবো, ইংলিশ বা বাংলায় বলবো আর তারপর খাওয়া দাওয়া শুরু করব। ইশ কি লজ্জা আমি তখন সবে রোস্টেড ফুলকপিতে কাঁটা চামচ গেঁথেছি !! ছিঃ ছিঃ!! যাই হোক কায়দা করে চামচ তা উঠিয়ে নিলাম সঠিক সময়ের অপেক্ষা করে। টেবিল ঘুরে আমার টার্ন এলো অন্তুদা, বুগাই , রিংকু বৌদি , শুভজিতের পর। অনেক ইমোশনাল ডায়ালগ দিলাম, অবশ্যই বাংলাতে। অবশেষে খাবারের পালা। মনে আছে এতো রকমের পদ ছিল যে মাথা গুলিয়ে যাচ্ছিলো কোনটা ছেড়ে কোনটা খাবো। সব টাটকা রান্না সেইদিন ব্যানার্জী দম্পতির করা ।
সকালের জলখাবারের সময় শুভজিতও কড়াইশুঁটির কচুরি বেলার কাজে লেগে পড়েছিল। দুর্দান্ত মাছের চপ ও বানিয়েছিলো বৌদি।
পরদিন শাহরুখ খানের 'Dear Zindagi' সিনেমা দেখতে গিয়েছিলাম সন্ধ্যেবেলা সবাই মিলে। আর তারপর টুকটাক থ্যাংক্সগিভিং শপিং।
![]() |
| সিনেমা হলে আমরা |
ভাগ্যিস বিদেশে একটা দাদা বৌদি আছে ! পোর্টল্যান্ডএ গেলে এনার্জির সাথে সাথে দিনটাও কেমন বেড়ে যায় !
![]() |
| সজনী সজনী রাধিকালো দেখ অবহুঁ চাহিয়া |
![]() |
| অভিজিৎ আর শুভজিৎ |
![]() |
| পিসি ভাইপো |
আমার থ্যাংক্সগিভিং ২০১৬র মিনি ডায়রি আজ এখানে রাখছি।




















No comments:
Post a Comment