২০১১ থেকে USA তে। সেবছর জন্মদিনের দিন ৬ মাসের জন্য দেশে ফিরেছিলাম। গোটা জন্মদিন প্ল্যান করে আকাশে উড়ে কাটিয়েছিলাম। ২০১২ থেকে টানা ৬ বছর USA তে কাটিয়ে দিলাম! আর একটুও ভালো লাগছেনা এখানে থাকতে। জন্মদিনে বেশি করে দেশের সব্বার জন্য মন খারাপ লাগে। পরের বছর কোথায় থাকব জানিনা কিন্তু এই মন খারাপের মধ্যেও দুটো মজার ঘটনা ভেবে উত্তেজনা হচ্ছে -
এক: USA তে থাকার একটা প্লাস পয়েন্ট খুঁজে পেয়েছি। জন্মদিন দেড় দিন ধরে পালন হয় এখানে । তাই দেড় দিন নিজেকে স্পেশাল লাগে ;) ইন্ডিয়ার গোটা একটা দিন আর এখানকার গোটা একটা দিন দুই মিলে দেড় দিন :)
দুই : আজ দেশে মহালয়া আর USA মতে আজ আমার জন্মদিন। ২০০৯ সালের পরে আবার সেই একই দিনে জন্মদিন। আবার সেই প্লাস পয়েন্ট, ভাগ্যিস দেড় দিন জন্মদিন তাই বেশ ম্যাচ করে গেলো দিন দুটো। ফলে বেশি করে নিজেকে স্পেশাল মনে হচ্ছে।
আজ সোমবার,সপ্তাহের শুরু, খুব ব্যস্ত দিন। সেদিক থেকে দেখতে গেলে অবশ্য দিনটা জন্মদিনের পক্ষে মোটেও ভালো না !
গতকাল দুপুর থেকে (ইন্ডিয়ার রাত ১২ টা থেকে ) সব্বার শুভেচ্ছা পাচ্ছি। সবাই সুস্থ ও ভালো থাকুক তাহলেই আমার আগামী বছর সব থেকে ভালো কাটবে আর সেটাই হবে আমার সব থেকে বড় উপহার।
মহালয়া না শুনলে ঠিক দুগ্গা পুজো পুজো লাগেনা। আপাতত ইউটুবে মহালয়া চলছে। দেশের সময়ের সাথে এলাইন করেই আমরা ল্যাপটপে চালালাম। কাল থেকে কোনো ম্যাজিক বলে আকাশ টা আরো বেশি রঙিন লাগবে দশমী পর্যন্ত। গাছ গুলো লাগবে আরো বেশি সবুজ আর ফুল গুলো আরো রঙিন :) একেই বলে পুজোর ম্যাজিক।
আজ মুখার্জী পরিবার হোয়াটস্যাপ গ্রূপে চিকুদা একটা কম্পেটিশন থ্রো করেছে। যে যে সকালে উঠে রেডিওতে মহালয়া শুনবে তারা রেডিওর সাথে নিজের সেলফি দেবে। সব থেকে ঢুলু ঢুলু চোখের ছবি পাবে মুখার্জী বাড়ির তরফ থেকে আকর্ষনীয় উপহার। খুব মজা লাগছে একটা একটা ছবি পড়ছে গ্রূপে :)
সবার পুজো খুব খুব ভালো কাটুক।
"শান্তি দিলে ভরি ..."
বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে -
আরো একটা কথা - আমাদের সাথে সাথে এরাও আজ মহালয়া শুনেছে। আমার জন্মদিনের উপহার। ..












No comments:
Post a Comment